তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, রবিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

হালুয়াঘাটে হিজড়ার অসম প্রেম ছাত্রীকে নিয়ে উধাও

হালুয়াঘাটে হিজড়ার অসম প্রেম,বিয়ের আসর থেকে কলেজ ছাত্রীকে নিয়ে উধাও  
[ভালুকা ডট কম : ২৮ জুন]
হালুয়াঘাট উপজেলার ৫ নং গাজীরভিটা ইউনিয়নের বান্দরঘাটা গ্রামের বাবর আলীর সন্তান হিজড়া বানেছা আক্তার বিথীর সাথে অসম প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে পাশের ডাকিয়াপাড়া গ্রামের লাবনী (ছদ্ধনাম) নামে এক কলেজ ছাত্রীর। লাবনী (১৯) হালুয়াঘাট মহিলা কলেজের এইচএসসি’র দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী।

সরেজমিনে হিজড়া বানেছার বাড়িতে গেলে তার ভাই বকুল (৩২) বলেন, বানেছা হালুয়াঘাট শহীদ স্মৃতি ডিগ্রী কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেছেন। তখন তিনি  মেয়েলি ড্রেস সেলোয়ার আর কামিজ পড়তেন। অন্যান্য সকল মেয়েদের মতই ছিলো তার চলাফেরা। মেয়েদের সাথে মিশতেন। তাদের সাথেই স্কুলে যেতেন। কথাও বলতেন মেয়েদের মতই। এরপর হঠাৎ পরিবর্তন। মেয়ে থেকে রুপান্তর হয়ে হন ছেলে। তারিখটা ছিলো ২০১৩ সালের ২৫ এপ্রিল। হরমোনজনিত পরিবর্তন হয়ে চেঞ্জ হয় বেশভূষার।  শরীরে আসে ছেলের রুপ। পত্রিকায় নতুন নাম জোনায়েদ সিদ্দিকী (শিশির) রেখে বিজ্ঞাপনও দেন। মেয়ের পোশাক বাদ দিয়ে পড়তে শুরু করেন শার্ট আর পেন্ট। তারপরেও এলাকার মানুষের অবিশ্বাস বানেছাকে (শিশিরকে) নিয়ে। মেয়ে থেকে ছেলে কেউ বিশ্বাস করতে চাচ্ছেননা। এরই মাঝে হিজড়া  বানেছা লাবনীর সাথে ফুঁসলিয়ে গড়ে তুলে প্রেম। এলাকার কেউ জানতোনা সে খবর। লাবনির কোন জায়গা থেকে কেউ বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসলে হিজড়া বানেছা কৌশলে সে ঘর দেয় ভেঙ্গে। লাবনীও চুপি চুপি হিজড়ার প্রেমে পাগল। এরপর একপর্যায়ে অঘটন ঘটায় হিজড়া বানেছা ও লাবনী।

লাবনীর দাদা বলেন, ২০ জুন বুধবার লাবনীর বিয়ে ঠিকঠাক অন্য আরেক ছেলের সাথে। কাজীসাহেব এসেছেন বিয়ে পড়াতে। কাবিননামাসহ রেজেস্ট্রি প্রায় লিখা সম্পন্ন। কনের স্বাক্ষর শুধু বাকী। কাজীকে সাথে নিয়ে  লাবনীর দাদা আসলেন কনের স্বাক্ষর নিতে। এসে দেখে লাবনী বিয়ের আসরে নেই। হিজড়া বানেছা মোবাইল করে ডেকে নিয়ে যান লাবনীকে। লাবনী পালিয়ে গিয়ে উঠে হিজড়া বানেছার বাড়ীতে। লাবনীর পিতা টের পেয়ে মেয়েকে ধরে নিয়ে আসেন। কিন্তু সেখান থেকে লাবনীকে ধরে নিয়ে আসলেও শেষ রক্ষা হয়নি। লাভনী পুনরায় মাঝরাতে চলে যান প্রেমিক বানেছার বাড়িতে।  সেখানে রাত্রিযাপন করার পর সকাল থেকেই লাপাত্তা। বানেছাও নেই।  নেই লাবনীও।

এই ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে লাবনীর দাদা বলেন, আমরা যখন টের পেয়েছি যে, লাবনীকে নিয়ে বানেছা প্রেম খেলায় মেতে উঠেছে। তখন বানেছা (নতুন নাম শিশির) কে বলি, তুমার ছেলেত্বের ডাক্তারি সার্টিফিকেট দিতে হবে। যদি দিতে পারো তাহলে আমার নাতনীকে বিয়ে দিবো। কিন্তু কোন প্রমান সে দিতে পারেনি। লাবনীর পরিবার জানায়, তারা ইতিমধ্যে জানতে পেরেছেন যে, প্রেমিক যুগল বর্তমানে পালিয়ে এক সাথেই আছেন। তবে কোথায় আছেন তা কেউ জানেননা।(ছবি সংগৃহীত)।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

নারী ও শিশু বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৩১ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই