তারিখ : ২৬ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

নওগাঁয় রেকর্ড পরিমাণ জমিতে ভুট্টার চাষ

নওগাঁয় রেকর্ড পরিমাণ জমিতে ভুট্টার চাষ,বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা
[ভালুকা ডট কম : ১৪ ফেব্রুয়ারী]
আমাদের খাদ্য শস্যের মধ্যে অন্যতম একটি শস্য ভুট্টা। কম খরচে এই ভুট্টার আবাদ থেকে অধিক লাভবান হওয়া সম্ভব যা অন্য ফসলের ক্ষেত্রে সম্ভব নয়। তাই দিন দিন এই জনপদে ভুট্টাসহ অন্যান্য লাভজনক ফসলের চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে।উত্তরাঞ্চলের শস্য ভান্ডার খ্যাত নওগাঁর আত্রাইয়ে এবার রেকর্ড পরিমাণ জমিতে ভুট্টার চাষ করা হয়েছে। ভুট্টার বাম্পার ফলনের আশাবাদী কৃষকরা। অনুকুল আবহাওয়া ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তিতে কৃষকদের আগ্রহ সৃষ্টি হওয়ায় স্বল্প খরচে যথাসময়ে কৃষকরা এবার ভুট্টার বাম্পার ফলন পাবে বলে অভিজ্ঞ মহল ধারণা করছেন।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা, চলতি মৌসুমে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ৪হাজার ৫শত হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মনে করছের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আরো ৫ হাজার হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হবে। এবার ভুট্টা চাষে এলাকার কৃষকরা বেশি ঝুঁকে পড়েছেন। ভুট্টা চাষে খরচ কম অথচ ফলন ভালো ও দাম বেশি পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে ভুট্টা চাষের আগ্রহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

উপজেলার বড় ডাঙ্গা গ্রামের ভুট্টা চাষী আয়েত আলী বলেন, এলাকার যে সব জমিতে পূর্বে বোরো ধান চাষ করা হত সে সব জমির অনেকগুলোতেই আমারা এবার ভুট্টা করছি। বোরো চাষে উৎপাদন খরচ অনেক বেশি অথচ যখন ধান কাটা মাড়াই শুরু হয় তখন ধানের বাজারে ধস নামে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে উৎপাদন খরচই উঠে না। কিন্তু ভুট্টার উৎপাদন খরচ যেমন কম দামও তেমন বেশি থাকে। এ জন্য আমরা ভুট্টা চাষে এবার ঝুঁকে পড়েছি।

উপজেলার চৌড়বাড়ি গ্রামের আব্দুল জব্বার বলেন, আমাদের এলাকা আলু চাষের জন্য সুপরিচিত। উপজেলার সিংহভাগ আলু আমাদের এলাকায় উৎপন্ন হয়ে থাকে। গত মৌসুমে আলু চাষে লোকসানের শিকার হয়েছি। মৌসুমের শেষ দিকে আলুর দাম বাড়লেও এর মুনাফা কৃষকরা পায়নি। মুনাফা পেয়েছে মজুদদাররা। তাই এবার ভুট্টা চাষ করছি। আশা করি ফলনও বাম্পার হবে। তবে নায্য দাম পেলে কষ্ট সার্থক হবে।

উপজেলার ভবানীপুর ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শফি উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, এবার গত বছরের তুলনায় আমাদের এলাকায় ভুট্টার আবাদ অনেক বেশি হয়েছে। আশা করছি ভুট্টার বাম্পার ফলন হবে এবং নিয়োমিত কৃষকদের পর্যবেক্ষণ পরামর্শ দিয়ে আসছি।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো: হিরু প্রামানিক বলেন, এলাকার কৃষকরা যাতে ভুট্টা যথাযথভাবে উৎপাদন করতে পারে এবং স্বল্প খরচে উচ্চ ফলনশীল ভুট্টা উৎপাদন করতে পারে এ জন্য আমরা প্রতিনিয়ত কৃষকদের নিকট গিয়ে পরামর্শ প্রদান করছি। বিভিন্ন রোগবালাই থেকে ভুট্টাকে মুক্ত রাখতেও পরিমিত পরিমান ঔষধ প্রয়োগের পরামর্শ দিয়ে থাকি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ একেএম কাউছার হোসেন বলেন, সকল প্রকার ফসল উৎপাদনে আমরা কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করছি। যাতে করে কৃষকরা সহজভাবে কৃষি উপকরণ পায়। বিশেষ করে বীজ, সার ও তেল এর জন্য সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি। এবার ভুট্টার আবাদ ভালো হয়েছে এবং বাম্পার ফলনের সম্ভাবনাও রয়েছে।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

কৃষি/শিল্প বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৬০ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই