তারিখ : ২৫ মার্চ ২০১৯, সোমবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ভালুকা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে অর্ধশতাধিক ভুয়া দলিল লেখক

ভালুকা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে অর্ধশতাধিক ভুয়া দলিল লেখক কাজ করার অভিযোগ
[ভালুকা ডট কম : ১১ মার্চ]
ভালুকা উপজেলা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে অর্ধশতাধিক ভুয়া দলিল লেখক রয়েছে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ রয়েছে সাব রেজিস্ট্রার ও জেলা রেজিস্ট্রারদেরকে ম্যানেজ করে ভূয়া লাইসেন্স দিয়ে বছরের পর বছর দলিল করে যাচ্ছে।

সূত্রে জানাযায়, ভালুকা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে মোট ২৫৩জন দলিল লেখক রয়েছে। এ সব দলিল লেখকদের মাঝে অর্ধশতাধিক দলিল লেখক রয়েছেন তাদের এসএসসি পরীক্ষার সনদপত্র ভুয়া। ২০০৩সালের পূর্বে কোনো সনদপত্র ছাড়াই দলিল লেখক নিয়োগ দেয়া হতো। ২০০৩সালের সরকার নতুন নীতিমালা অনুযায়ী একজন দলিল লেখককে নিন্মতম এসএসসি পাশ হতে হবে। বর্তমানে ভালুকা সাব রেজিস্ট্রি অফিসের অর্ধশতাধিক দলিল লেখক রয়েছেন যারা এসএসসি পরীক্ষার জাল সনদপত্র। প্রতি বছরই সাব রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে সনদপত্র নবায়ন করা হয়। অত্র অফিসের দলিল লেখক সমিতির চাঁদার টাকা থেকে এ সব দলিল লেখকদের লাইসেন্স নবায়ন করা হয়। সমিতির চাঁদা আদায় করা হয় জমি গ্রহিতার কাছ থেকে। চলতি বছর ভালুকা অফিসের সাব রেজিস্ট্রার অত্র অফিসের দলিল লেখকদের এসএসসি পাশের মুল সনদপত্র চেয়ে লাইসেন্স নবায়নের নির্দেশ দেন। সাব রেজিস্ট্রার ২০১জনের তালিকা করে একটি সুপারিশ পত্র জেলা রেজিস্ট্রার বরাবর প্রেরণ করেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মাঝে ৫১দলিল লেখক তাদের এসএসসি পরীক্ষার সনদপত্র জমা দেননি।

২০১২সালের জেলা রেজিস্ট্রার নং- ৫৫৫ (৯) স্মারকে (তারিখ ০৬/০৩/২০১২) দলিল লেখকদের মূল সনদ পত্রের দুই কপি ছায়া লিপি সমন্বিত অফিসে দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়। সেই চিঠির প্রক্ষিতে অপর একটি চিঠিতে তৎকালীন ভালুকা সাব রেজিস্ট্রার উল্লেখ করেন ২৭ মে/২০০৩- ডিসেম্বর/১১ পর্যন্ত অত্র অফিস থেকে ১০৭কে সনদ দেয়া হয়।  ১০৭দলিল লেখকের মাঝে ১৫জন তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতার মূল সনদ দিতে পারেন নি। ওই ১৫জন দলিল লেখক সহ বর্তমানে মোট অর্ধশতাধিক দলিল লেখক ভুয়া লাইসেন্স দিয়েই দলিল লিখে যাচ্ছেন। এসব দলিল লেখকগণ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরকে ম্যানেজ করে ভূয়া লাইসেন্স দিয়েই বছরের পর বছর দলিল করে যাচ্ছেন।

ভালুকা উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার জাহাঙ্গীর আলম জানান,আমি দলিল লেখকদের লাইসেন্স নবায়নের জন্য জেলা রেজিস্ট্রার বরাবর দলিল লেখকের তালিকা প্রেরণ করেছি। বর্তমান লাইসেন্সকৃত অনেক দলিল লেখক তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতার মুল সনদ পত্রে কপি জমা দেন নি।

ম্যানেজের বিষয়টি অস্বীকার করে জেলা রেজিস্ট্রার সরকার লুৎফুর কবীর জানান, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র জালের বিষয়টি আমি অবগত নই । যদি কোনো দলিল লেখক ভুয়া সনদপত্র দিয়ে লাইসেন্স করে থাকে তার লাইসেন্স তো বাতিল হবেই, তার বিরুদ্ধে ফউজদারি আইনে মামলাও করা হবে।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৬০ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই