তারিখ : ১৪ নভেম্বর ২০১৮, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের টিকেট যেন সোনার হরিণ

আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের টিকেট যেন সোনার হরিণ
[ভালুকা ডট কম : ০৩ সেপ্টেম্বর]
বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিম জোনের আত্রাই উপজেলার আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকাগামী আন্তঃনগর নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকেট যেন সোনার হরিণে পরিণত হয়েছে। কাউন্টারে গেলেই সাফ জবাব আসন নেই। অথচ দ্বিগুণ মূল্যে বাইরের চা স্টল, ফলের দোকান ও বিভিন্ন স্থানে পাওয়া যাচ্ছে টিকেট। এতে করে যাত্রীরা চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

জানা যায়, ঢাকাগামী একমাত্র নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের বিরতি রয়েছে এ স্টেশনে। এমনিতেই স্টেশনটি থেকে প্রতিদিন রাজশাহীর বাগমারা, নওগাঁর রাণীনগরের কিছু অংশ ও নাটোরের সিংড়া উপজেলাসহ আত্রাইয়ের বিপুলসংখ্যক যাত্রী নীলসাগর ট্রেনে ঢাকায় যাতায়াত করে থাকেন। ঈদ মৌসুমে যাত্রীদের এ ভিড় আরো প্রকট আকার ধারণ করে।

জানা যায়, আহসানগঞ্জ স্টেশন থেকে ঢাকার জন্য ৫২টি আসন বরাদ্দ রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। তারপরও আসনগুলো কাউন্টার খোলার সঙ্গে সঙ্গে টিকেট চলে যায় সিন্ডিকেটের হাতে। ফলে নির্ধারিত সময়ে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকেট পান না সাধারণ যাত্রীরা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ আত্রাই থেকে নীলসাগর ট্রেনের ভাড়া ৩৪০ টাকা। নির্ধারিত ভাড়ায় টিকেট নেয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময়ে লাইনে দাঁড়িয়ে তারা টিকেট পান না। অথচ পরক্ষণেই টিকেট পাওয়া যায় চা স্টলসহ বিভিন্ন জায়গায়। যেগুলো ৫শ থেকে ৬শ টাকায় কিনতে হয়। একশ্রেণির অসাধু ব্যক্তির সঙ্গে যোগসাজশে কালোবাজারিরা টিকেট নিয়ে সাধারণ যাত্রীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন হাজার হাজার টাকা।

সচেতন মহল মনে করেন, স্থানীয় প্রশাসন মাঝেমধ্যে কাউন্টারের কম্পিউটার ও কালোবাজারিদের নির্ধারিত স্থানে অভিযান চালালে সিন্ডিকেট থাকবে না। এর সুফল ভোগ করতে পারবেন এলাকার বিপুলসংখ্যক ট্রেনযাত্রী।

ট্রেনযাত্রী রফিকুল ইসলাম বলেন, অক্টোবরের ৩ তারিখের টিকেট নেয়ার জন্য ওপেনিং তারিখে সকালে লাইনে দাঁড়ানোর পরও চাহিদা অনুযায়ী টিকেট পাইনি। অথচ ওই তারিখের টিকেট দেদারছে বাইরে বিক্রি হচ্ছে। কালোবাজার চক্রের কবল থেকে টিকেট উদ্ধার করতে না পারলে একদিকে যাত্রী হয়রানি বাড়বে, অন্যদিকে যে কোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষেরও সৃষ্টি হতে পারে। এদিকে টিকেট নিয়ে প্রতিনিয়ত স্টেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যাত্রীদের কথা কাটাকাটি লেগেই আছে।

এ ব্যাপারে আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার ছাইফুল ইসলাম বলেন, যারা বাইরে টিকেট বিক্রি করেন তারা যাত্রীবেশে কাউন্টার থেকে টিকেট কেটে নিয়ে যান। আর যতক্ষণ আমাদের কম্পিউটারে টিকেট শো করবে ততক্ষণ আমরা যাত্রীদের তা দিতে বাধ্য। যাত্রীবেশে কেউ যদি টিকেট কিনে নিয়ে ব্যবসা করেন এটা রোধ করা মুশকিল।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৩৭ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই