তারিখ : ১৫ নভেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

আলোকচিত্রী ড.শহিদুল আলমের জামিন শুনানিতে বিব্রত হাইকোর্ট

আলোকচিত্রী ড.শহিদুল আলমের জামিন শুনানিতে বিব্রত হাইকোর্ট
[ভালুকা ডট কম : ০৪ সেপ্টেম্বর]
তথ্য প্রযুক্তি আইনের মামলায় গ্রেফতার আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলমের জামিন শুনানিতে বিব্রতবোধ করেছে বাংলাদেশ হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ। বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি খোন্দকার দিলুরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ (মঙ্গলবার) বিব্রতবোধের কথা জানান। এখন নিয়ম অনুসারে মামলাটি প্রধান বিচারপতির কাছে যাবে। তারপর প্রধান বিচারপতি আবেদনটির শুনানির জন্য বেঞ্চ নির্ধারণ করবেন।

শহিদুল আলমের জামিন চেয়ে করা আবেদনের শুনানির জন্য গতকাল আজকের দিন ধার্য করা হয়েছিল। আদালতে শহিদুল আলমের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন ও ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ, অমিত তালুকদার ও অরবিন্দ কুমার রায়। শহিদুল আলমের আইনজীবী সারা হোসেন সাংবাদিকদের বলেন,কী কারণে হাইকোর্টের বেঞ্চ বিব্রত করেছেন এটি আমরা আদালতের কাছে জানতে চেয়েছি। আদালত কোনো কারণ উল্লেখ করেননি।

এর আগে ৬ আগস্ট ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম শহিদুল আলমের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। গত ১৪ আগস্ট ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে জামিন আবেদন করা হলে ১১ সেপ্টেম্বর শুনানির জন্য দিন ধার্য রাখেন। এরপর ১৯ আগস্ট শুনানির তারিখ এগোনোর জন্য আবেদন করা হলে তা গ্রহণ করেননি আদালত। এ অবস্থায় ২৬ আগস্ট শহিদুল আলমের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন চাইলে ওই আদালত শুনানির জন্য তা গ্রহণ করেননি। এ অবস্থায় গত ২৮ আগস্ট শহিদুল আলমের জামিন চেয়ে আবেদন করেন তার আইনজীবীরা।

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে ‘উস্কানিমূলক মিথ্যা’ প্রচারের অভিযোগে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় ৬ আগস্ট শহিদুল আলমকে সাত দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। পুলিশের রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামি শহিদুল আলম তার ফেসবুকের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে কল্পনাপ্রসূত অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এর মাধ্যমে জনসাধারণের বিভিন্ন শ্রেণিকে শ্রুতিনির্ভর (যাচাই-বাছাই ছাড়া কেবল শোনা কথা) মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে উসকানি দিয়েছেন, যা রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর। তিনি সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ ও অকার্যকররূপে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উপস্থাপন করেছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ জনমনে ভীতি ছড়িয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র এবং তা বাস্তবায়নের জন্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রচার করেছেন শহিদুল আলম।

সাত দিনের রিমান্ড শেষে গত ১২ আগস্ট শহিদুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন নিম্ন আদালত। দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা শহিদুল আলম নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাত্র আন্দোলন নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেয়ায় ৫ আগস্ট রাতে ধানমন্ডির বাসা থেকে তাকে তুলে নেয় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরদিন ডিবি (উত্তর) পরিদর্শক মেহেদী হাসান বাদী হয়ে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলাটি দায়ের করেন। #





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

জাতীয় বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৩৮ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই