তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২০, শনিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

নিষিদ্ধ গাইড বই ব্যবহার, শিক্ষামন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

নিষিদ্ধ গাইড বই ব্যবহার, শিক্ষামন্ত্রীর হুঁশিয়ারি
[ভালুকা ডট কম : ০৭ ফেব্রুয়ারী]
এসএসসি পরীক্ষায় গাইড বই থেকে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। দেশের আইন অনুযায়ী, নোট বা গাইড বই নিষিদ্ধ। নোট বই (নিষিদ্ধকরণ আইন) ১৯৮০ অনুসারে, গাইড ও নোট বই ছাপা ও বাজারজাত করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এরপরও প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে নোট ও গাইড বই।

এ নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন ২০১৭ সালে কাজ শুরু করে। বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালায় আইন শৃংখলা বাহিনীও। তারপরও বন্ধ হয় না নোট ও গাইড বই। অভিযোগ আছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভিন্ন সরকারি সংস্থার অসাধু কর্মকর্তারা নিয়মিত মাসোহারা নিয়ে এ ব্যবসায় সাহায্য করে থাকেন। এরসঙ্গে জড়িত আছেন এক শ্রেণির শিক্ষকও।

সৃজনশীল পদ্ধতি চালুর পেছনে প্রধান যুক্তি হলো, শিক্ষার্থীর মাঝে সৃষ্টিশীলতা বাড়ানো, তাদের ভাবনার জগতটাকে বাড়ানো। মুখস্ত করার প্রবণতা বন্ধ, সেইসঙ্গে গাইড বইয়ের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনবে এ পদ্ধতি। পাঠ্যবই পড়ে তার মর্ম ধারণ করবে। সেই আলোকে তৈরি হবে প্রশ্নপত্র, উত্তরও হবে সৃজনশীল। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গাইড বই থেকে প্রশ্ন করার অভিযোগ থাকলেও এবার এসএসসি পরীক্ষাতেই এমন জালিয়াতি ধরা পড়েছে।

এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ডাক্তার দীপুমনি জানান, গাইড বই ও নোট বইয়ের ব্যবহার সরকার বন্ধ করতে চায়। সৃজনশীল পদ্ধতিতে এর প্রয়োজনও নেই। এরপরও কোনো কোনো গাইড ও নোটবই মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠান অনৈতিকভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের প্রভাবিত করে শিক্ষার্থীদের কিনতে বাধ্য করেন। অভিভাবক, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সব স্তরে এই বিষয়ে সচেতনতা দরকার। গাইড ও নোট বই থেকে নিজেদের দূরে রাখতে হবে। এরইমধ্যে নোট ও গাইড বই বিক্রি বন্ধে ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

এদিকে, গাইড বইয়ের সঙ্গে প্রশ্নপত্র হুবহু মিলে যাওয়ার ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। আগামী রবি-সোমবারের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে পারে তদন্ত কমিটি। কর্মকর্তারা জানান, ঢাকা বোর্ডের এই প্রশ্নপত্র তৈরির সঙ্গে যুক্ত বরিশালের ৫ শিক্ষক। এরমধ্যে ১ জন প্রশ্নপত্র প্রণেতা এবং অপর ৪ জন মডারেটর। প্রশ্ন প্রণয়নকারী শিক্ষককে এরইমধ্যে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

এবারের এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে ঢাকা বোর্ডের বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্ন গাইড বই থেকে হুবহু তুলে দেয়া হয়। মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় ৭০ নম্বর সৃজনশীল। আর ত্রিশ নম্বর এমসিকিউয়ে। সৃজনশীল প্রশ্নের মধ্যে ৪০ নম্বরই হুবহু বাজারের গাইড বই থেকে কমন পড়েছে।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অন্যান্য বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২৩৮ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই