তারিখ : ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, শুক্রবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

রাণীনগর মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তওে নানা রকমের অনিয়ম

রাণীনগর মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তওে নানা রকমের অনিয়ম
[ভালুকা ডট কম : ২৫ অক্টোবর]
নির্যাতিত, অবহেলিত, পিছিয়ে পড়া নারীদের সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে ও এগিয়ে নিয়ে আসার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে আসছে নওগাঁর রাণীনগর উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর। কিন্তু রাণীনগর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় প্রভাবশালী অফিস সহকারি কর্মচারী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে আসছে।

দীর্ঘ প্রায় ২০বছর যাবত এই অফিসে চাকরি করার সুবাদে সবই এখন ওই কর্মচারী হাতের মুঠোয়। তবে এই কার্যালয়ের গতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে এক কর্মকর্তা গত বছর ওই অফিস সহকারির বিরুদ্ধে নানা রকমের অনিয়ম ও বিভিন্ন কর্মকান্ড লিপিবদ্ধ করে তাকে এই অফিস থেকে দ্রুত বদলী করার আবেদন জানান উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ ও অধিদপ্তর বরাবর। কিন্তু কর্মচারী প্রভাবশালী হওয়াই সেই কর্মকর্তার আবেদন আর আলোর মুখ দেখেনি।

অফিসের কর্মকর্তা খোন্দকার মাক্বামাম মাহমুদা গত ১৯সালের আগস্ট মাসের ১৪তারিখে ওই অফিস সহকারির বদলী চেয়ে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও নওগাঁর উপ-পরিচালক বরাবর একটি আবেদন করেন। যার স্মারক নং উমবিককা/রাণীনগর/নওগাঁ/১৫। ওই আবেদনে উল্লেখ্য করা হয় যে, অফিস সহকারিকে কোন কাজ দিলেই কাজটি দীর্ঘ সূত্রতার মতো জটিল অবস্থার সৃষ্টি করে। সে নিজে কম্পিউটারে কাজ জানে না বিধায় অধিদপ্তরসহ সব জায়গায় রির্পোট প্রেরণে বিলম্ব ঘটিয়ে অনাঙ্খিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। প্রশিক্ষানার্থী মেয়েসহ অনেকের সঙ্গেই দুর্ব্রবহার করেন। এমন কি কর্মকর্তার সঙ্গেও সে উচ্চস্বরে কথা বলে যা কর্মচারীর আচরন পরিপন্থি। তাকে নিষেধ করা সত্ত্বেও প্রচন্ড বাজে ভাবে কথাবার্তা বলে। অফিসের সব তথ্য বাহিরে প্রচার করে দেয়। সে দীর্ঘদিন যাবত একই কর্মস্থলে থাকার সুবাদে ভাতাভোগীদের (বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, ভাতা কার্যক্রমের), ইউপি সদস্যসহ বিভিন্ন জনের সঙ্গে যোগাযোগ পূর্বক নিয়মনীতি বর্হিভ’ত তালিকা প্রস্তুত করে। উপরোক্ত বিষয়গুলোসহ ওই কর্মচারীর বিষয়ে আবেদনে মোট ৭টি বিষয় উল্লেখ্য করা হয়। যাবতীয় বিষয়াদি জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে অবহিত করার বিষয়টিও ওই কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ্য করেন।

রাণীনগর মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও আবেদনকারী খোন্দকার মাক্বামাম মাহমুদা বলেন এই ধরনের প্রভাবশালী কর্মচারী সরকারের এমন গুরুত্বপূর্ন একটি অফিসের জন্য হুমকি স্বরুপ। এই সব কর্মচারী দ্বারা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডসহ সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। তাই এই কর্মচারীদের একটি অফিসে দীর্ঘ দিন রাখা উচিত নয় বলে আমি মনে করি। এতে করে সরকারী কর্মকান্ডগুলো আরো ত্বারানিত ও বেগবান হবে।

জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ইশরাত জাহানের অফিসে গিয়ে না পাওয়ায় তার মুঠোফোনে অর্ধশতাধিকবার ফোন দিলে রিসিভ হয়নি এমনকি ফেরত ফোনও পাওয়া যায়নি। যার কারণে এই বিষয়ে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। (ইশরাত জাহানের মুঠোফোন নম্বর: ০১৭১২-৫১২৪৩৫)।#



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২৯৮ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই