তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

রাণীনগরে এলইডি লাইট অপসারণে অভিযান

রাণীনগরে রাতের চলাচল নিরাপদ করতে তীব্র আলোর এলইডি লাইট অপসারণে অভিযান
[ভালুকা ডট কম : ১৬ মে]
নওগাঁর রাণীনগরে ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সা, ভ্যানসহ অন্যান্য যানবাহনের দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ক্ষতিকর এলইডি লাইটের ব্যবহার। বিশেষ করে রাতে চলাচলের সময় এইসব যানবাহনে যুক্ত করা তীব্র আলোর এলইডি লাইট অপরদিক থেকে আসা যাত্রী ও যানবাহনের জন্য মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। রাতে এইসব ক্ষতিকর এলইডি লাইটের তীব্র আলোয় সামনের রাস্তাসহ অন্যকিছু দেখা একেবারেই অসম্ভব হয়ে ওঠে যার কারণে আলোর তীব্রতার কারণে সামনে কি আছে সেই বিষয়ে ধারণা করার আগেই ঘটে যাচ্ছে মরনঘাতী দুর্ঘটনার।

এই সব ক্ষতিকর এলইডি লাইটের কারণে যেমন ঘটছে দুর্ঘটনা তার সঙ্গে চোখেরও চরম ক্ষতি হচ্ছে। তাই যানবাহনে এই সব ক্ষতিকর লাইট ব্যবহার না করার জন্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনরে পক্ষ থেকে শুরু করা হয়েছে অভিযান। এই অভিযানে সকল ব্যাটারীচালিত অটোরিক্সা, ভ্যান, ছোট ট্রাকসহ সকল যানবাহনে যুক্ত করা তীব্র আলোর ক্ষতিকর এলইডি লাইট অপসারণ করা, সতর্কতার পরও লাইট অপসারণ না করার কারণে জরিমানা আদায়, রাতের বেলায় সহজেই চোখে পড়ার জন্য অটোচার্জারগুলোর সামনে হলুদ রং লাগানোসহ নানা বিষয় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এছাড়া এই সব গুরুত্বপূর্ন বিষয়গুলো অবশ্যই পালন করার জন্য চালকদের সচেতনও করা হচ্ছে। এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনের আশেপাশের এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাত হুসেইন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাত হুসেইন বলেন এলইডি লাইট মূলত আবাসিক ভবনগুলোতে ব্যবহারের জন্য। কিন্তু দিন দিন রাতে চলাচলকারী যানবাহনগুলোতে তীব্র আলোর ক্ষতিকর এলইডি লাইটের ব্যবহার বেড়েই চলেছে। যার কারণে রাতে প্রতিনিয়তই সড়কগুলোতে ঘটছে দুর্ঘটনা আর মৃত্যুর কাছে হার মানছেন অনেকেই আবার অনেকেই চিরতরের জন্য অঙ্গহীন হয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ করে রাতের বেলায় এলইডি লাইট ব্যবহার করার কারণে এই দুর্ঘটনার হার বেড়ে গেছে অনেকগুন।

একটি বাহন যখন একটি কোম্পানী তৈরি করে রাস্তায় চলাচলের জন্য ছেড়ে দেয় তখন ওই গাড়ির সঙ্গে কি পরিমাণ আলোর লাইট দরকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ঠিক সেই আলোর লাইটই যুক্ত করে দেয় কিন্তু পরবর্তি সময়ে আমরা অতি উৎসাহি হয়ে ওই যানবাহনের সঙ্গে তীব্র আলোর ক্ষতিকর এলইডির লাইট যুক্ত করেই চলেছি। এতে করে দেশের প্রচলিত সড়ক পরিবহন আইনকে যেমন উপেক্ষা করা হচ্ছে তেমনি ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি আমরা সবাই। এই জটিল সমস্যা থেকে উত্তোরনের একমাত্র উপায় হচ্ছে ব্যক্তি পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি আর আইনের যথোপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করা।

তাই উপজেলাবাসীকে জাতীয় এই সমস্যা থেকে দ্রুত উত্তোরণ করার লক্ষ্যেই এই অভিযান শুরু করা হয়েছে। তাই রাতে নিরাপদে সকল পথচারী ও চালকগণকে দূর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেতে তীব্র আলোর ক্ষতিকর এলইডি লাইট অপসারণের কোন বিকল্প নেই। যারা বাংলাদেশ সড়ক আইন অমান্য করবে, নিষেধ করার পরও গাড়িতে এলইডি লাইট ব্যবহার করবেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আগামীতেও এই ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তাই আসুন রাতের সড়ককে নিরাপদ করতে সবাই বাংলাদেশ সড়ক আইন মেনে চলি আর রাতের যানবাহনগুলোতে ক্ষতিকর এলইডি লাইট ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকি।#



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকার বাইরে বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৮৯০৪ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই