তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৪, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

নওগাঁয় প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

নওগাঁয় উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ
[ভালুকা ডট কম : ০৩ মার্চ]
নওগাঁর মান্দায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর উপ-সহকারি প্রকৌশলী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে হাট বাজার উন্নয়ন প্রকল্পের ৫টি কাজের বিল পাস করিয়ে দিতে প্রায় ৮০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘুষ না দিলে কাজের মান নিয়ে তুলে নানা প্রশ্ন, ফন্দিফিকির তালবাহানা করে লাল ফিতায় বন্দি থাকে প্রকল্পের ফাইল। সম্প্রতি ঘুষ গ্রহণের এমন অভিযোগে উপজেলা জুড়ে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, ২০২৩-২৪অর্থ বছরের হাট বাজার উন্নয়ন খাতের বরাদ্দকৃত অর্থ হতে গৃহীত প্রকল্পের মাধ্যমে কশব ইউনিয়নের মিঠাপুর বাজারে হাট বাজার উন্নয়নের লক্ষ্যে ৫টি প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ১ লক্ষ্য ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ে মিঠাপুর তরকারি বাজারের রাস্তা সি সি করুন, ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ে ড্রেন নির্মাণ, ২ লক্ষ্য টাকা ব্যয়ে ল্যাট্রিনের সেফটি ট্যাংক ও টিউবওয়েল স্থাপন, ১ লক্ষ ৪১ হাজার টাকা ব্যয়ে পাকা রাস্তা হতে নতুন শেষ পর্যন্ত ড্রেন নির্মাণ, ৩০ হাজার ৯৭৫ টাকা ব্যয়ে টয়লেট ও ড্রেন পরিস্কার কাজ সম্পুর্ন করা হয়। কিন্তু  প্রতিটি প্রকল্পের বিল পাশ করতে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা করে ঘুষ গ্রহণ করেন নজরুল ইসলাম। এমন অভিযোগ করেন প্রকল্পের পিআইসি ও ইউপি সদস্যরা।

ইউপি সদস্য আব্দুল মজিদ অভিযোগ করে বলেন, প্রকল্পের বিল পাস করতে আমার কাছে ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন উপ-সহকারি প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম। ঘুষের টাকা না দেওয়ায় কয়েক দিন হয়রানি করেছেন। পরে ২৫ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে বিল পাস করেন। আরও এক ইউপি সদস্য বলেন, সব কাজের পার্সেন্টেজ অনুযায়ী টাকা কেটে নেয় নজরুল ইসলাম।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ঠিকাদার জানান, এ ক্যাটাগরির কাজ করার পরেও ঘুষ দিতে হয় তাকে। ঘুষ নেওয়ার মাধ্যমে বিল পাস করে দেওয়া নজরুলের পুরনো অভ্যাস। এমনকি চলমান কাজ দেখভালের জন্য গেলেও ঘুষ দিতে হয় তাকে। টাকা দিলেই কাজ ফাইনাল আর না দিলে সমস্যার শেষ নেই। তার এমন কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ ঠিকাদারা। তিনি আরও বলেন, ইঞ্জিনিয়ার স্যারের অজান্তে তিনি এমন কর্মকা- করে যাচ্ছেন এতে অফিসের মান ক্ষুন্ন হচ্ছে। পূর্বের কর্মস্থল পত্নীতলা উপজেলায় ঘুষ বাণিজ্যসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে সেখান থেকে তাকে বদলি করা হয়েছে এমন অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে কশব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম ফজলুর রহমান বলেন, প্রতিটি প্রকল্পে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউপি সদস্যগণ। সহকারী প্রকৌশলী নজরুল ইসলামের এমন ঘুষ কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ চেয়ারম্যান মেম্বারগন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নজরুল ইসলামের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে মুঠোফোনের লাইন কেটে দেন। পরবর্তীতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি আর রিসিভ করেননি। তাই তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী শাইদুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত আমার কাছে কেউ কোন অভিযোগ করেনি এবং বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।#




সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

জীবন যাত্রা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৮৯০৭ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই