তারিখ : ৩০ নভেম্বর ২০২২, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

হাসপাতালে জম্মের পর মৃত, বাড়িতে নেওয়ার পর কান্না

হাসপাতালে জম্মের পর মৃত, বাড়িতে নেওয়ার পর নবজাতকের কান্না, অতঃপর...
[ভালুকা ডট কম : ০৩ জুন]
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার গাংগাইল ইউনিয়নের অরন্যপাশা গ্রামের ফরিদ মিয়ার মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা লাভলী বেগমের (২৫) বুধবার রাত ১১টার দিকে প্রসব বেদনা ওঠে সম্ভাব্য সময়ের আগেই। তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন তিনি। কিন্তু কর্তব্যরত সেবিকারা জানান, নবজাতকটি গর্ভেই মারা গেছে। তাকে ফেলে রাখা হয় ওয়ার্ডের একটি বালতিতে। এ অবস্থায় প্রসূতিকে হাসপাতালে রেখেই মৃত নবজাতককে রাতেই পলিথিনে মুড়িয়ে ব্যাগে ভরে মোটরসাইকেলে বেঁধে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে বাড়িতে নিয়ে যান এক স্বজন। সেখানে ব্যাগ থেকে বের করার পরই নড়াচড়া করে ওঠে নবজাতকটি। শুরু করে কান্না। তবে শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি তাকে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অরন্যপাশা গ্রামের ফরিদ মিয়ার মেয়ে লাভলী বেগমের প্রায় ছয় বছর আগে বিয়ে হয় পাশের আচারগাঁও ইউনিয়নের নাখিরাজ গ্রামের মো. আব্দুল কাইয়ুমের ছেলে আব্দুল করিমের সঙ্গে। স্বামী আব্দুল করিম জানান, অসুস্থতা বোধ করায় গত ২৭ মে তাঁর আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নেওয়া হয় পাশ্ববর্তী কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে। সেখানে দুই দিন চিকিৎসার পর তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালটির গাইনি বিভাগের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বুধবার বিকেলে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন তাঁর স্ত্রী। কিন্তু এ সময় কর্তব্যরত সেবিকারা নবজাতককে মৃত ঘোষণা করে তাকে ওয়ার্ডে রাখা বালতিতে ফেলে রাখতে বলেন। এক পর্যায়ে নবজাতকটিকে মৃত হিসেবে পলিথিনে মুড়িয়ে একটি ব্যাগে ঢুকিয়ে শক্ত করে বেঁধে মোটরসাইকেলের পেছনে করে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান। এরপর ব্যাগ খুলে বের করতেই নড়তে থাকে নবজাতকটি। শুরু করে কান্না। তাকে দ্রুত উপজেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, নবজাতকটি পথেই মারা গেছে।

এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে নিজ বাড়িতে যান লাইলী বেগম। তিনি জানান, গত বুধবার সকাল ১১টার দিকে তাঁকে প্রসূতি কক্ষে নিয়ে যান কয়েকজন সেবিকা। সেখানে কোনো চিকিৎসক ছিলেন না। অতিরিক্ত ব্যথা হলে একটি ইনজেকশন দেওয়ার প্রায় চার ঘণ্টা পর সন্তান প্রসব হয়। বলা হয় মৃত সন্তান প্রসব হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই দিন ওই ওয়ার্ডের দায়িত্বে ছিলেন ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. তানজিলা লতিফ যুঁথি।  তিনি বলেন,ওই সময় আমি রাউন্ড ও অ্যাডমিশন ডিউটিতে ছিলাম। তবে ঘটনার পর খোঁজ নিয়ে দেখেছি, ওই দিন লাভলী নামে নান্দাইলের কোনো রোগী ছিল না।#



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

নারী ও শিশু বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৫৩৫ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই