তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২১, শুক্রবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

নজিপুর পৌর উদ্যানের অর্ধশতাধিক সরকারী গাছ কর্তন

নজিপুর পৌর উদ্যানের টেন্ডার ছাড়াই অর্ধশতাধিক সরকারী গাছ কেটেছেন কাউন্সিলর ,থানায় মামলা
[ভালুকা ডট কম : ১৬ জুলাই]
নওগাঁর নজিপুর পৌরসভা পৌর পার্কের সারি সারি গাছগুলোর শীতল ছায়ায় দর্শনাথীরা খুঁজে পেতো প্রানের ছোঁয়া। কিন্তু পৌরসভার এক কাউন্সিলর টেন্ডার ছাড়াই অর্ধশতাধিক পৌর উদ্যানের সরকারি গাছ কেটে ফেলেছে। তাই সেই পৌর উদ্যানটি আজ মরুভূমি। আর এ ঘটনায় নজিপুর পৌরসভা ও পাটিচোরা ইউনিয়নের সহকারী ভুমি ইউনিয়নের সহকারী ভুমি কর্মকর্তা এনামুল হক বাদি হয়ে সম্প্রতি (১৪জুলাই রাতে) থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

জানা গেছে, নওগাঁর নজিপুর পৌরসভার পৌর উদ্যানের ৪৮টি সরকারি গাছ কোন প্রকার টেন্ডার ছাড়াই কাটার নির্দেশ দেন ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিজানুর রহমান মিতু। বিষয়টি জানাজানি হলে রাতারাতি বেশ কিছু গাছের শেকড় তুলে ফেলা হয়েছে আবার কোথাও কোথাও কাটা গাছের শেকড় বালি দিয়ে চাপা দিয়ে প্রমান লোপাটেরও চেষ্টা করা হয়েছে। স্থানীয়রা গাছ কাটার বিষয়ে বললে রাস্তায় লাইন এর জন্য খাম্বার প্রয়োজন তাই তিনি গাছগুলো কেটেছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ; গাছগুলো কাটার সিদ্ধান্ত কাউন্সিলরের ব্যক্তিগত। তিনি নিজের গা বাঁচাতেই এখন পৌরবাতির দোহাই দিচ্ছেন। শুধুমাত্র পৌরবাতির জন্য পৌর উদ্যানটিকে নদী ভাঙ্গনের হুমকির সম্মুখীন না করে অন্যভাবেও সমস্যার সমাধান করা যেতো। ভবিষ্যতে যাতে কেউ এমন ধৃষ্টতা দেখানোর সুযোগ না নেয় এজন্য তারা এর সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক  শাস্তির দাবি করেছেন।

নজিপুর পৌরসভার মেয়র রেজাউল কবীর চৌধুরী বলেন, গাছ কাটার বিষয়ে তিনি আগে কিছু জানতেন না পরে লোকমুখে ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে জানতে পারেন। খাস জমির গাছ সরকারি অনুমতি ছাড়া কাটার অধিকার নেই। আর এ বিষয়ে গাছকাটার জন্য পৌরসভা থেকে টেন্ডার করা হয়নি।

অভিযুক্ত পৌর কাউন্সিলর মিজানুর রহমান মিতুর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ওই গাছগুলো কোথাও তিনি বিক্রি করেননি বরং নিজ নির্বাচনী এলাকায় পৌরবাতি স্থাপনের কাজে ব্যবহার করেছেন। =পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামসুল আলম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পত্নীতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিটন সরকার বলেন, সরকারী ৪৮টি গাছ কাটা হয়েছে টেন্ডার ছাড়াই। তাই নজিপুর পৌরসভা এবং পাটিচোরা ইউনিয়নের সহকারী ভুমি কর্মকর্তা এনামুল হক বাদি হয়ে কাউন্সিলর মিজানুর রহমান মিতুর বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। গাছ কাটার ঘটনাটি সুষ্ঠ তদন্ত করে দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন পৌরবাসী।#






সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

পরিবেশ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১৩২৪ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই